সম্ভাবনার মৃত্যু
পূর্বরাগ এবং উত্তর রাগের
মধ্যবর্তী
সম্ভাবনার মৃত্যুই,
ছন্দের অভাবে
কবিতা হিসবে গণ্য হয়।।
দুষ্টূ মিষ্টি কবিতা লিখি
পূর্বরাগ এবং উত্তর রাগের
মধ্যবর্তী
সম্ভাবনার মৃত্যুই,
ছন্দের অভাবে
কবিতা হিসবে গণ্য হয়।।
লিখেছেন
দাশু
সময়
11:17 PM
2
মন্তব্য
Labels: কবিতার যন্ত্রণা
কষ্ট হয়, নষ্ট হয়
কষ্টেরা সব নষ্ট হয়
কিছুই থাকেনা প্রভূ
তোমারি বন্দনা করি না কভূ
আপন নিয়তি সরবে ঠুকি তোমার জ্ঞানবৃক্ষে
কিছুই টেকে না প্রভূ
তুমি আমি সকল বন্দনাকারী
সকলি বিলীন হয়
তুমি ও বিলীন হও প্রভূ
বন্দনাকারী বিহনে।
একজন নতমস্তক বন্দনাকারী এবং একজন ইকারুসের মধ্যে নতমস্তক বন্দনাকারী নন্দিত হয় এবং একজন ইকারুস জলপাই রাঙা সূর্যের লালিমায় আপন ভূমে প্রাণ বিসর্জন দেয়।
এবং আমরা ঘেন্না করবার প্রথম স্তবক পাই।
লিখেছেন
দাশু
সময়
9:05 PM
1 মন্তব্য
Labels: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
রিক্সা নিষিদ্ধ করবার অহর্ণিশ প্রয়াস চলছে,
আমাদের ঢাকা শহরে।
আমাদের প্রিয় ঢাকা শহরে।
বিজ্ঞাপন জর্জরিত পত্রিকাগুলোর খাঁজে খাঁজে গোপন তলোয়ার
হাওলাদারের ভবিষ্যৎনামার ফাঁক দিয়ে উঁকি দেয়
রিক্সা বিতাড়ন করতে হবে।
শহরের মধ্যবিত্ত রাস্তাগুলোতে
ঠাঠা রোদে
তোমার চিবুকের লবণে,
আমড়া খাওয়ার দিন শেষ হয়ে এলো বলে।
* ২১শে মে, ২০০৭
লিখেছেন
দাশু
সময়
10:08 AM
1 মন্তব্য
Labels: কবিতার যন্ত্রণা
প্রতিনিয়ত জীবনযাপনের মধ্যদিয়ে, ঘরের দুয়ার খুলে শিশিরবিন্দুই মাঝে মাঝে দেখা হয় না। আজ থেকে বছর তিনেক আগে এরকম ছিলাম না। খুব অনুসন্ধিৎসু চোখ নিয়ে পারিপার্শ্বিক দেখতাম। গতকাল গোধূলীবেলায় বাসায় আসবার সময় আবিষ্কার করলাম বসন্ত এসে গেছে, বাহারী রং আর অনাঘ্রাতা যৌবন নিয়ে। আমার বাসায় ঢুকবার পথের একপাশে পুরোটাই জঙ্গল । রাতে মাঝে মাঝে বিভিন্ন বন্য প্রানী দেখা যায়। এখানে রাস্তায় কার এক্সিডেন্টের মূল কারণ হচ্ছে রাতের বেলা জগিং-এ বেরোনো হরিণ। গাছের দিকে তাকিয়ে খুব অবাক হয়েছি, ঠিক কখন যেন আমার অজান্তে গাছের পাতা ঝকঝকে সবুজ হয়ে গেছে। ফুলের রং হার মানায়, আমার স্বপ্নের পরিধিকেও।
একসময় গ্রামের বাড়ীতে গিয়ে আমার প্রধান শখ ছিল বড়শী দিয়ে মাছ ধরা, বাম কাঁধের উপর জাল নিয়ে ছুড়ে মারার সেই আনন্দ এখনো অনুভব করি। অথচ এখানে ঘরের পাশের নদীতে গিয়ে একটিবারো মাছ ধরা হলো না। মাঝে মাঝে রাতে নদী ভ্রমণে যাওয়া হয়। ছোট্ট কিন্তু বর্ধনশীল শহরের এই নদীবিহার কতদিন থাকবে কে জানে। রাতের বেলা নদীর পাশে গিয়ে বুঝবার চেষ্টা করি, কোনো তাল-লয় আছে কিনা, স্রোতের। খরস্রোতা নদীর, পাথরে তীব্র আছড়ে পড়ার শব্দে আটকা পড়ি সাময়িক। আবারো বুঝতে পারি, অনেক শিশিরবিন্দুই দেখা হচ্ছে না।
অযথা অকারণ বসে আছি, একটা যন্ত্রের সামনে। যার সাথে আমার যোগাযোগের মাধ্যম বলতে কয়েকটা বর্ণ । এধরণের একটা বোধহীন যন্ত্রের সামনে বসে নির্বোধের মত, সিনথেসাইজড সংগীত শুনে যাচ্ছি। ডেস্কটপে স্মোকি মাঊন্টেনের একটা পূর্ণ বসন্তের ছবি দিয়ে অবদমিত প্রণোদনাকে ডিজিটাল ম্যারিনেড করছি। এরপরেও সংগীতের স্বাদ আহরণ করি, মোঁপাসার 'নেকলেস' এর কথা ভাবি, এরপরে কিভাবে যেন নিজেকে ডিজিটাল মাংকি হওয়া থেকে রক্ষা করি। এই গানটা শুনছিলাম, আরমীন মুসার গলায়। সিনথেসাইজার ছাড়া মেয়েটার কোন গান শুনতে ইচ্ছে হচ্ছে।
*২৮শে মার্চ, ২০০৭ এ লেখা হয়েছিল। সামহোয়্যারইনব্লগে প্রথম প্রকাশ।
লিখেছেন
দাশু
সময়
11:25 PM
1 মন্তব্য
Labels: অ্যাবসার্ড
নাক বরাবর থেকে একটু বামে, আয়তাকার লম্বা কাঠের গুড়ির ওপর ভূমি থেকে দেড় ফিট উচ্চতায়, সূর্যকে ঠিক বাম দিকে পঁচাত্তুর ডিগ্রি কোণে রেখে, আমার গতিপথের উল্টো বরাবর, যেন গোটা শহর খিলখিল করছে। ওহে মেদুল কিশোরী, বসফরাস প্রণালীর দক্ষ সাঁতারু ডলফিন, কাটা ঘুড়ির মত গোত্তা খেয়ে ইস্তানবুলের পাকা রাস্তায় হাইড্রোজেন ডাই অক্সাইড তালাশে নেমেছিল জানো কি। আর আমি নিও-ক্ল্যাসিকাল শুভংকর, গাছবাড়িয়া স্কুলের ডিফেন্ডারের কনুই খেয়ে দম আটকে রাখা স্ট্রাইকারের অস্ফুট হাহাকার নিয়ে চার্চের আঙ্গিনায় ঈশ্বরের শাপ-শাপান্ত করেছি মনের সুখে।
লিখেছেন
দাশু
সময়
8:01 PM
1 মন্তব্য
Labels: অ্যাবসার্ড
মিম্বর পেছনে রেখে নাক বরাবর এসে যেই ঘুরেছি সমকোণে সখী সহযোগে কলকল ছলছল রত ঠিক যেন গাওয়া ঘিয়ে ভাজা শন পাপড়ি কুড়মুড় কুড়মুড় করে আস্তব্যস্ত নেমকহারাম চোখ সমাজের সর্বরন্ধ্রে অঙ্গুলি প্রদর্শন পূর্বক ফ্যালফ্যাল করে গুঁড়ো হয়ে যাওয়া ঝরঝরে তৃপ্তিতে জিরিয়ে জিরিয়ে দমকে দমকে চুমুক দিচ্ছিলো। অতিসাংবিধানিকদের সসতর্ক দৃষ্টিবাদের গুল্লিমেরে বলতে চাই
আকণ্ঠ পানই, সর্বশ্রেষ্ঠ পান
হাটবারে, হাটে যাই না
ঘাটে পড়ে থাকি এবং রোদ পোহাই।।
কখনো কখনো এটুকুই বলবার থাকে।
কখনো না বলেই সারা।