Showing posts with label অ্যাবসার্ড. Show all posts
Showing posts with label অ্যাবসার্ড. Show all posts

Feb 10, 2008

আসক্ত

নিরাসক্ত বোধ আবিষ্কারের জন্যই বোধকরি এখন
একটি আসক্তি দরকার।।
কাকাতুয়ার ঢেউ খেলানো ঝুঁটিতেও কারো কারো নেশা হয়,
যদিও কাকতাড়ুয়ার নেশা কদাপি শুনিনি;
নারী এবং পুরুষে সম্পুরক নেশা হয়
যদিও ক্ষত্রিয় নারী-পুরুষ নিরাসক্ত বোধ করে, আসক্তিতে।।

ক্রমাগত সাহচর্যে থাকবার অন্তর্গত প্রেরণা বুঝি আমাদের আসক্ত করে। ব্লগাসক্ত, মদাসক্ত, নৃসক্ত, নানাবিধ আসক্তির পর, নতুন আসক্তির সন্ধানে ব্যাকুল এই আজি এই আসক্তরা।

২৬শে মে, ২০০৭

খুন

খুচরো খাচরা চাঁদের কণা গুলো বুকপকেটে গুঁজে, ঠায় দাঁড়িয়ে থাকি পাংশুটে মুখে । টিকিট নিয়ে জোৎস্না দেখতে যাওয়ার কাল এখন। ছুরির ফলার মতন উদ্যত হাসি মুখে নিয়ে বুক পকেটে থেকে গলে গলে পড়া জোৎস্না স্নানরতা, আমূল বসিয়ে দিল ধারালো হাসি এফোঁড় ওঁফোড় করে। এপিটাফের সিথানে বসিয়ে দিও, আমার বুকপকেট।

৩'রা মে, ২০০৭

Jan 17, 2008

অবাক জলপান

মিষ্টি হেসে দুষ্টু খুকী

জল করেছে পান

ঠোঁটের কোণে চোখা হাসি

ফাও করেছে দান।

ফাও করেছে বেশ করেছে

তোমার তাতে কি

এই যে খোকা বিষম খেলো

বুঝতে পারো কী!

দেখে শুনে বল্লে খুকী

জল করবে পান ?

এরম ভাবেই শিখলো সবাই

অবাক জলপান।

Oct 27, 2007

মৃতঘোড়ার পিঠ চাবকানো বিষয়ে

মৃত ঘোড়ার পিঠ চাবকে লাভ নেই,
সওয়ারী বিহীন ঘোড়া এখন
দুলকি চালে সম্ভাব্য পরিণতি পেয়েছে।
সহজাত প্রবণতা, সহজাত প্রগলভা
চাবুকের নিষ্ঠুর আতিশয্যে
নির্বাণ লাভ করেছে।
এসো আমরা প্রার্থনা করি
যেন দুম করে আস্তাবল ছেড়ে বের হয়ে না যায়
আমাদের ঘোড়া;
কারণ এই ঘোড়াই আমাদের শরীর ও মনোজগতের শ্লোগান বহন করে
এই ঘোড়ার পিঠে চড়ে আমরা কাব্য করি গদ্য করি
এবং সপ্ত আসমান পাড়ি দেই।
এসো লাগাম টেনে ধরি আমাদের ঘোড়ার
কিছু ঘোড়ার লাগাম ছেড়ে দিলে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ নির্গত করে
সেটাকে দুষ্টেরা বলে ঘোড়া দাবানো।

এসো আমাদের ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হই
এবং তীব্র বেগে ছুটে চলি
আরাধ্য মন্দিরে।।

Jul 8, 2007

ডিজিটাল বনবাস


প্রতিনিয়ত জীবনযাপনের মধ্যদিয়ে, ঘরের দুয়ার খুলে শিশিরবিন্দুই মাঝে মাঝে দেখা হয় না। আজ থেকে বছর তিনেক আগে এরকম ছিলাম না। খুব অনুসন্ধিৎসু চোখ নিয়ে পারিপার্শ্বিক দেখতাম। গতকাল গোধূলীবেলায় বাসায় আসবার সময় আবিষ্কার করলাম বসন্ত এসে গেছে, বাহারী রং আর অনাঘ্রাতা যৌবন নিয়ে। আমার বাসায় ঢুকবার পথের একপাশে পুরোটাই জঙ্গল । রাতে মাঝে মাঝে বিভিন্ন বন্য প্রানী দেখা যায়। এখানে রাস্তায় কার এক্সিডেন্টের মূল কারণ হচ্ছে রাতের বেলা জগিং-এ বেরোনো হরিণ। গাছের দিকে তাকিয়ে খুব অবাক হয়েছি, ঠিক কখন যেন আমার অজান্তে গাছের পাতা ঝকঝকে সবুজ হয়ে গেছে। ফুলের রং হার মানায়, আমার স্বপ্নের পরিধিকেও।

একসময় গ্রামের বাড়ীতে গিয়ে আমার প্রধান শখ ছিল বড়শী দিয়ে মাছ ধরা, বাম কাঁধের উপর জাল নিয়ে ছুড়ে মারার সেই আনন্দ এখনো অনুভব করি। অথচ এখানে ঘরের পাশের নদীতে গিয়ে একটিবারো মাছ ধরা হলো না। মাঝে মাঝে রাতে নদী ভ্রমণে যাওয়া হয়। ছোট্ট কিন্তু বর্ধনশীল শহরের এই নদীবিহার কতদিন থাকবে কে জানে। রাতের বেলা নদীর পাশে গিয়ে বুঝবার চেষ্টা করি, কোনো তাল-লয় আছে কিনা, স্রোতের। খরস্রোতা নদীর, পাথরে তীব্র আছড়ে পড়ার শব্দে আটকা পড়ি সাময়িক। আবারো বুঝতে পারি, অনেক শিশিরবিন্দুই দেখা হচ্ছে না।

অযথা অকারণ বসে আছি, একটা যন্ত্রের সামনে। যার সাথে আমার যোগাযোগের মাধ্যম বলতে কয়েকটা বর্ণ । এধরণের একটা বোধহীন যন্ত্রের সামনে বসে নির্বোধের মত, সিনথেসাইজড সংগীত শুনে যাচ্ছি। ডেস্কটপে স্মোকি মাঊন্টেনের একটা পূর্ণ বসন্তের ছবি দিয়ে অবদমিত প্রণোদনাকে ডিজিটাল ম্যারিনেড করছি। এরপরেও সংগীতের স্বাদ আহরণ করি, মোঁপাসার 'নেকলেস' এর কথা ভাবি, এরপরে কিভাবে যেন নিজেকে ডিজিটাল মাংকি হওয়া থেকে রক্ষা করি। এই
গানটা শুনছিলাম, আরমীন মুসার গলায়। সিনথেসাইজার ছাড়া মেয়েটার কোন গান শুনতে ইচ্ছে হচ্ছে।


*২৮শে মার্চ, ২০০৭ এ লেখা হয়েছিল। সামহোয়্যারইনব্লগে প্রথম প্রকাশ।

Jul 6, 2007

অপ্রকাশিত স্ফুর্তি



নাক বরাবর থেকে একটু বামে, আয়তাকার লম্বা কাঠের গুড়ির ওপর ভূমি থেকে দেড় ফিট উচ্চতায়, সূর্যকে ঠিক বাম দিকে পঁচাত্তুর ডিগ্রি কোণে রেখে, আমার গতিপথের উল্টো বরাবর, যেন গোটা শহর খিলখিল করছে। ওহে মেদুল কিশোরী, বসফরাস প্রণালীর দক্ষ সাঁতারু ডলফিন, কাটা ঘুড়ির মত গোত্তা খেয়ে ইস্তানবুলের পাকা রাস্তায় হাইড্রোজেন ডাই অক্সাইড তালাশে নেমেছিল জানো কি। আর আমি নিও-ক্ল্যাসিকাল শুভংকর, গাছবাড়িয়া স্কুলের ডিফেন্ডারের কনুই খেয়ে দম আটকে রাখা স্ট্রাইকারের অস্ফুট হাহাকার নিয়ে চার্চের আঙ্গিনায় ঈশ্বরের শাপ-শাপান্ত করেছি মনের সুখে।

Mar 26, 2007

তামাদি স্বপ্নেরা যাচ্ছে, সব অন্যদের অধিকারে



মস্তিষ্কের খুপরিতে বাসা বেঁধেছে
চাক ভেঙ্গে বেরিয়ে আসা বিদ্রোহী মৌ এর দল
এদের সরানো বড় সোজা নয়
,
বেশী দিন থাকলে মস্তিষ্কই দাবী করে বসবে তামাদী বলে;
তামাদী করতে নেই কখনো প্রেম তাই,
কারও অধিকারে যাবার আগে উদ্ভাসিত হতে হয় আপন আয়নায় বারবার।


* ছবিটি পোস্ট সিক্রেট থেকে নেওয়া। যেখানে কারিগর এর নাম গোপন থাকে। সাতবার প্রেমে পড়া মানুষ নিশ্চিত ভাবেই ভাগ্যবান এবং দূর্ভাগা; আরোহন এবং অবরোহন দুভাবে দেখলে।

Feb 18, 2007

ফিউশন



একবার সাহস করে বেরিয়ে যাও,
একবার সাহস দেখাও, জুতোর বাইরে পা রাখবার
একবার শুধু কানাগলির বাইরে এসো
একবার সূর্যের মুখোমুখি দাঁড়াও।

প্রমিথিউস এবং আগুনের সেই চিরায়ত মিথে অসংখ্য সম্ভাবনা আছে। প্রমিথিউস আগুন আনেনি, সে শুধু মানুষের ভেতরকার আগুনের সম্ভাবনা চোখের সামনে তুলে ধরেছিল। দেবদূত’দের জিম্মায় নিজেদের আগুন রাখতে নেই।
আগুন জ্বালাবার জন্য, পোড়াবার জন্য এবং ছারখার করবার জন্য।

গতকাল প্রমিথিউসের সন্ধানে ডুব দিয়েছিলাম
সশান্ত সাগরে দীর্ঘকায় সাপদের সভার মাঝে
লকলকে জিভ দেখেছি ; জেনেছি
কৌটোর ভেতর থাকা আর নিরাপদ নয়
কৌটো সহ বিকিকিনি হচ্ছে, আজকাল
অ্যান্ড্রোমিডাও আজকাল নিরাপদ নয়, সেখানেও হাওয়ারা প্রবেশ করেছে
ফিউশন প্রক্রিয়ার সমাপ্তি হয়েছে নক্ষত্রমণ্ডলিতে
চলছে গোপন আগ্রাসনের প্রস্তুতি
ভাষা, সংস্কৃতি , ধর্ম সব প্রি-পারচেজ অর্ডার চলছে।
যেভাবে চাও পাবে এখন ঈশ্বর’কে
সাদা, কালো , বাদামী কিংবা সবুজ
ঈশ্বর এখন সর্বব্যাপী, সর্বগামী ; ঈশ্বর চাইলে এখন হ্রস্ব-ই দিয়েও লিখতে পারো
আজকাল কাস্টোমাইজড ঈশ্বর’দের দেদার চাহিদা।
গোল্ডেন, সিলভার, ব্রাস এমন কি ডায়মন্ড কোটেড ঈশ্বরও আজকাল মার্কেটে উঠছে
খালি জুতোর বাইরে একবার পা দাও, নৌকো ছেড়ে একবার জলের স্পর্শ নাও
দেখবে সাপদের বিষ সব নির্বিষ হয়ে গেছে, কবিদের প্রয়াণে
নখ-দন্ত হারানো বাঘ নির্নিমেষ চেয়ে থাকে চিড়িয়াখানার বুভুক্ষু দর্শকের দিকে
আমাদের আগুন এখন আর তপ্ত করে না, রুটি কিংবা বিছানা কোনোটাই
ক্ষিধেরা সব আবাস করেছে , বরফ যুগে
ক্ষুধা এখন নিজেকে গ্রাস করবার, গাংচিলের ডানার নীচের ওম গ্রাস করবার
ঊষ্ণ রক্তের লালিমা গ্রাস করবার।

১৮’ই ফেব্রুয়ারী, ২০০৭
১০:৪৪
ওয়েস্ট কলাম্বিয়া।

Feb 16, 2007

আমি ও হতে চাই একজন তত্ত্বাবধানকারী


খবরের পাতায় বাবা-মায়ের সাথে সেরা ছাত্রের চর্বিত-চর্বনটি
এখন বলে, 'তত্ত্বাবধায়কÿ হওয়াই আমার লক্ষ্য'
সবাই তত্ত্বাবধায়ক হতে চায়
আমিও গিয়েছিলাম প্রেমিকার বাড়ি
আমার গন্ত্যেব্যর শেষে, 'তত্ত্বাবধান ' ছিলো না বলে
রাস্তা মাপার রুলার ধরিয়ে বিদেয় করেছেন ঝেঁটিয়ে
আমি হতে চাই তত্ত্বাবধানকারীদের একজন
কলার উঁচা করে, আমিও হাঁটতে চাই
জাতীয় সংসদে

শুনেছি বড় বড় আনকোড়া বিল্ডিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
সুলভে দিচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক হবার রোডম্যাপ
সরকারী ভাবে ঘোষিত হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক নীতিমালা
আমি হতে চাই একজন তত্ত্বাবধানকারী
বিবিকে বলেছিলাম, ' তোমায় রক্ষা করবো প্রাণের বিনিময়ে '
প্রাণটি ভিক্ষা দিয়ে করূনা করেছে বিবি আমার
বলেছে, 'যদি পারো হতে তত্ত্বাবধানকারী আমার, তবেই এসো সোহাগ দেখাতে '
আমি হতে চাই তাদের একজন

শুনলাম ঈশ্বর নতুন পয়গাম পাঠিয়েছেন
অধিকর্তা হতে রোচে না তার আর
এসেছে আসমানী সংশোধনী
আমিও বলে উঠি
'
হে মহান তত্ত্বাবধানকারী, তুমিই সর্বশক্তিমান, তোমা হইতে বড় কোন তত্ত্বাবধানকারী নাই '

আমিও হতে চাই একজন মহান তত্ত্বাবধায়ক
আমিও হতে চাই তাদের একজন ।।

**
ঘুম আসছে, আর ভাল্লাগতাছেনা ।পরে একটা তত্ত্বাবধায়ক কাব্যের সাইজ দিমু এইটারে

Jan 6, 2007

একটি প্লেটনিক চুমুর স্ক্রিপ্ট

একটু ডাইনে

হ্যাঁ

নাক বরাবর

নীচের ঠোঁটের ঠিক নীচেই থাকবে নীচের ঠোঁট

হ্যাঁ

ওভাবে নয়, ওটা অশ্লীল ছবির নায়িকারা করে

উপবৃত্তাকার অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে

পার্শ্বচাপের কারণে গোলাকার হবে

এবার ঠিক আছে

উহু জিহ্ববা না

ওটা শয়তানের প্রতীক

লালসা তৈরি হয় ওতে,

এবার ঠিক আছে,

ধুত্তোরি ছাই

স্পিড ব্রেকার,

প্লেটনিক চুমু কে

টেকটোনিক সংঘর্ষে

রুপ দিলে।।

ইঊটোপিয়া



ইশশ কতো আহলাদ
যাও দূরে সরে বসো
এই আউটার সার্কুলার রোডে
মেজ খালা থাকে
দেখলে
ইনার সার্কুলারে কাকু থাকে
সেন্টারে কে থাকে ? ঐ রিকশাওয়ালা
এনেক্সে রীতা আপু
কলা ভবনে কোন এক খালু
আমার কপালে কোন অপ্সরা জুটেছে শুনি
ঐ রিকশাওয়ালাকে দেখলে
মেজ খালা রাগ করে না
প্রতিদিন কাঁধে ভ্যানিটি ব্যাগ নাও
‘ভ্যানিটি ব্যাগের সাথে কিছু চলছে না তো ,
বলে ওঠে না কেউ
আমি থাকলেই
যত নরক গুলজার।।

Dec 12, 2006

ডোডো


**
নেশাতুর হয়ো না কবি
পল্টন ময়দানে
জাত যাবে পাত যাবে
নেতার বয়ানে

**
পেল্লাই চেহারার ডোডো
দাঁড়িয়ে উত্তর গেটে
হাঁক দিয়েছে দাবী আদায়ের
২০২০ সনে ।।

**
শেরশাদ শেষবারের মত
জনগণের খেদমত
করিতে উদ্যত
(বিশেষণ প্রয়োগে একটু রয়েসয়ে.......)

১২' ই ডিসেম্বর, ২০০৬


Dec 11, 2006

বন্দর নোঙ্গর ফেলে রয়ে গেছে এই নির্বাসনে

একদা এসেছিল চাঁদ আমার শিয়রে

হেটেছিনু কদলি দলি

মৃগ মরমর সুবাসিত প্রান্তে

আলো ছায়া করেছিনু খেলা

চাঁদের প্রান্ত ছুঁয়ে

কুসুমিত জোছনা লয়ে

এক লোভনীয় র্নিবাসন নিয়েছিনু

মিথুন যুগল

সব মাটি দূরে ঠেলে

জোছনা জড়ায়ে গলে

ভেঙে যাই সবাক প্রান্তর

চাঁদের কপোলে রেখা

আঁকা বাঁকা সদা চোখা

নিরবধি বিঁধিছে এই অন্তর

খঞ্জর নিয়া বুকে

রক্তিম ফুল ফোটে

যেন মোর পরিচিতা বন্দর

আবার আসিবে ফিরে

সদা লাজ, সাজ চোখে

ঘনঘটা করিয়া

ফেলিবে সে নোঙ্গর

১৩ই নভেম্বর, ২০০৬

Dec 10, 2006

কপিলা_রুপা গাঙ্গুলী

তারার পানে চাইয়া দেখ,

তোমার লাগি জ্বলতে আছে,

তোমার কাজে, তোমার মাঝে

তোমার পানে চাইয়া আছে


আইলাম আমি তোমার পথে,

গীত বাঁধিলাম তোমার নথে,

ফোঁস ফোঁসাইয়া রইছে চাইয়া

তারার নাকের বাঁক


গীতের মাঝে বুলায় তারা,

ঘর হারা, তুই সাকিন হারা

ছুটবি আজি তারার পানে,

জ্বালাবি সব সঙ্গোপনে


অনল বরণ তারার মাঝে ,

ডুব দিয়াছে যৈবন সাঁঝে;

চাঁদের আলো ম্লান করিল ,

তোমার সোনার গা


সব তারারা লুকাইল মুখ,

চাঁদের বুকে বাড়িল দুঃখ

সব সীমানা পার করিল

অনল রাঙ্গা সুখ


পদ্মা নদীর মাঝির সেই অসাধারণ ডায়ালগ মনে করুন(কপিলার মুখে )

ডরাইলা মাঝি

প্রস্বেদনহীন প্রক্রিয়া

ছন্দোবদ্ধ কাব্যের শানিত ভঙ্গিমায়

বুকের পালংকে তীব্র সুখের র্নিলিপ্ততায়

কবিতার জন্ম হয় না

কবিতার জন্য চাই আলোক সংবেদী জীবানুমুক্ত পরিবেশ

হাতের চেটোয় ক্লোরোফিল কলম নিয়ে

র্সূয স্নান করিয়ে নিতে হবে বারবার

অশ্লীলতা লিখতে না চাইলে, দুটুকরো ত্যানা জড়িয়ে নাও উর্ধব এবং নিম্নাংগে ;

স্নানরতা অবস্থায় লিখো না,

মধ্যযুগীয় কাব্যের জলছাপ পড়ে যাবে কবিতার গায়ে

তোমার দানবীয় সত্ত্বার মৃত্যু রোধে নিশ্চিত করো, অক্সিজেন এর সাপ্লাই

ঠিক এরকম একটা পরিবেশে

ভীষণ রকম রমনীমত্ত কবি বিপ্লবের ডাল-পালা ছেটে দিয়ে,

প্রস্বেদন নিষিদ্ধ রতিতে সফল বিপ্লবের সোয়াদ খোঁজেন

১০ই জুলাই, ২০০৬

তরণী লইয়া তরুণীতে অবগাহন

ঢোল কলমি ঢোল কলমি

কোথায় তুমি যাও,

একটু খানি গ্রীবা ঘুরাইয়া

আমার দিকে চাও


পেখম তোমার নক্সি কাটা

বাটিক ভরা গা ,

আমার চোখের গহিন কোণে

বন মোরগের ছা


তোমার কানের দুলে ওঠে

হাঙ্গর নদী, গ্রেনেড বোম ;

আমার কানের ঘুলঘুলিতে

মগ্ন প্রেমের ছররা সম


বিনুনী নয় সাপের ফনা

বিষে ভরা দন্ত তার ,

লাল নীলের ফিতের মাঝে

বন্দি হায় যৌবন আমার


সিঁথির মাঝে, নৌকো নিয়ে

ডুব দিয়েছে কুবের মন ,

ইলিশ মাছের ভাঁজে ভাঁজে

র্সষে ঝাঁঝাল মাতাল মন


কাপোল মাঝে রক্ত জবা

তারই নীচে রাগের রেখা,

ভুরুর মাঝে কৃষ্ণ সাজে

বাজায় বাঁশী হৃদয় মাঝে


চোখ ভরা তার দুষ্টুমিতে

অশ্রুআসে ভীষম স্রোতে,

যায় ভেসে যায় ভিটে বাড়ি

চোখের পাতায় বসত গড়ি


নোলক ভরা শাপলা শালুক

ঘাই মারে এক মস্ত কামুক,

হাজা মজা পুকুর পাড়ে

হাজার বছর পদ্য ঝাড়ে


অধর পানে তড়িৎ টানে

সব ফেলে ছুট উষ্ণ মনে ,

অন্ত্য মিলের ছন্দ ভুলে

সাগর পানে নদী চলে


সব কবিতায় ছন্দ থাকে

কবি কবি গন্ধ থাকে,

দাড়ি চুলের বহর থাকে

না দেখা এক নারী থাকে


আমার ঢোলে ,কলমি থাকে

মাছে ভরা পুকুর থাকে ,

থোকা থোকা স্বপ্ন থাকে

বৈঠা বিহীন জীবন থাকে


সেই কবিতার মাঝি আমি

শব্দ ঠেলে নৌকো টানি ।।

=======================================

' ঠা জুলাই, ২০০৬

রাত ১:৩৪

কলাম্বিয়া