Showing posts with label কথা মালা. Show all posts
Showing posts with label কথা মালা. Show all posts

Feb 2, 2008

অনেক দিন পর

অনেক দিন পর আবার লিখছি। কেন লিখিনি এতোদিন, কিভাবে লিখিনি শীতল সব প্রশ্নেরা জড়িয়ে ধরেছে আষ্টেপৃষ্ঠে।
সম্মুখ সমরে কণ্ঠনালীতে ছোরা'র সামনে দাঁড়ানো হতবুদ্ধি সৈনিকের দশা আমার। আগের লেখাগুলো পড়ে বুঝলাম,
তীব্র এবং সুতীব্র কোন আকর্ষন কিংবা ভরকেন্দ্র ছিন্নভিন্ন করে দেয় সেধরণের কোন কিছুই ঘটছেনা, কিংবা হয়তোবা
আমার সম্পূর্ণ চেতনাটাই আটকে পড়া বৃষ্টির পানির মত হাঁসফাঁস করছে, বৃদ্ধ কোন গলির মোড়ে। নীল জল দিগন্ত ছুঁয়ে
আসবার সময় হয়েছে আমার।

Oct 23, 2007

কবিতা ফিরে আসুক, বারবার


কবিতা লিখবার জন্য সময়ের অভাব কি হয় ?
নিরবিচ্ছিন্ন নিস্তব্দতার অভাব হয়,
টংকারহীন শব্দ, এবং প্রেমময় শব্দের মিলনোন্মাদনার অভাব হয়।

এটা ঠিক বোঝানোর কায়দা জানা নেই,
কিংবা জানাও নেই
কেন শব্দেরা পা টিপে টিপে ভোররাতে চলে যায়
এতটাই কি অপাংক্তেয় হয়ে গেছি
নির্জনতা বিহনে ।


Jun 16, 2007

ঘিয়ে ভাজা শন পাপড়ি

মিম্বর পেছনে রেখে নাক বরাবর এসে যেই ঘুরেছি সমকোণে সখী সহযোগে কলকল ছলছল রত ঠিক যেন গাওয়া ঘিয়ে ভাজা শন পাপড়ি কুড়মুড় কুড়মুড় করে আস্তব্যস্ত নেমকহারাম চোখ সমাজের সর্বরন্ধ্রে অঙ্গুলি প্রদর্শন পূর্বক ফ্যালফ্যাল করে গুঁড়ো হয়ে যাওয়া ঝরঝরে তৃপ্তিতে জিরিয়ে জিরিয়ে দমকে দমকে চুমুক দিচ্ছিলো। অতিসাংবিধানিকদের সসতর্ক দৃষ্টিবাদের গুল্লিমেরে বলতে চাই

আকণ্ঠ পানই, সর্বশ্রেষ্ঠ পান

Apr 16, 2007

পনের ডিগ্রী



ষাট ফিট ব্যাসের একটা বৃত্তের পরিধিতে, কেন্দ্রের সাপেক্ষে পনের ডিগ্রী কৌণিক দূরত্ব বজায় রেখে চলেছি ক্রমাগত। একশো দশ থেকে চব্বিশ ঘন্টার ব্যবধানে পনের'তে নেমে আসা, বিলক্ষণ গঙ্গোত্রীর নিম্ন অববাহিকার মৎসজীবিদের লক্ষণ।


খুরপি সহযোগে,
কাদামাটিতে মাছ খুঁজে বেড়াই

এবং

শাপশাপান্ত করি ব-দ্বীপের।

এক পশলা হাসি মাঝে মাঝেই দেখি
পাশবিক আনন্দ নিয়ে

টাটায়
.
.
.
.

টাটায়

আন্তঃআণবিক বলের মায়া কাটিয়ে
লম্ব বরাবর ছুটে আসলেই
ভেঙ্গে যেত বৃত্ত;



* বাণিজ্য অনুষদ, আরব-ইসরায়েল ফাটাফাটি,
রুমঃ ০০৮
১৩ই এপ্রিল, ২০০৭

বোষ্টমী বলেছে মোরে, যেতে হবে সদানন্দ সাগরে




খরচের খাতায় যাওয়ার শখ

কদাচিৎই হয়,

দেনা কর্জের ফাঁপরে পড়ে

ইলিশ মাছ খাই না,

কিন্তু

তাই বলে যৌবন তো আর দাদনে

চাষ করিনা।।



সবটা শুনে ঘাটের মড়াও বল্লে

হরি হরি মরারে জাগিয়ে, আবার মারবি কেন গো।


এইখানেই কবি এবং কাঁথা-বালিশে তফাৎ

কাঁথা-বালিশ কাজে, আসে এবং সময়ে সময়ে ওম দে।

ওমের কথা আসলে উমদা কথাটাও চলে আসে,

এখনই উমদা সময় বল্লে, ‘জ্ঞানীজন’

খেটে-খুটে পাস মার্ক তুলে ফেলো

আখেরে আখরোট মিলবে।


আখরোট এর আশায় যৌবন জীবনানন্দে সঁপিয়া

তাই এখন একমনে বোষ্টমীর ধ্যান করিতেছি।।


২০০৭-০৪-১৬ ১০:২৪:১১

Apr 14, 2007

নীল জলের পদ্মেরা, কালো ভ্রমরের স্বপ্নেরা



সাদা চশমা

কালো চশমা

...

রোদ চশমা

ছায়া চশমা

...

তুমি হাঁটছ

কথা বলছ

মেঘ করছে

জল নাচছে

...

আমি দেখছি

কথা বলছি

মেঘ ডাকছে

জল করছে

...

তুমি নাচছ

তুমি ডাকছ

চোখ বলছে

কিছু খুঁজছে

...

চোখ ডুকরে

বালি ঠুকরে

রোদ কামড়ে

ছায়া দুমড়ে

...

তুমি কাদাকাদা

আমি থিকথিক

কবিতার গায়ে

মোহ ধিকধিক।।

Apr 12, 2007

তুমি কোন পথে যে এলে



তুমি কোন পথে যে এলে, এলে পথিক

আমি দেখি নাই তোমারে

তুমি কোন পথে যে এলে

হঠাৎ স্বপ্‌ন সম দেখা দিলে বনেরই কিনারে

তুমি কোন পথে যে এলে,

ফাগুনে যে বান ডেকেছে, মাটির পাথারে

তোমার সবুজ পালে লাগলো হাওয়া, এলে জোয়ারে

ভেসে এলে জোয়ারে

যৌবনের জোয়ারে

তুমি কোন পথে যে এলে, এলে পথিক

আমি দেখি নাই তোমারে

.

.

.

তোমার মালার গন্ধে তারই আভাস প্রাণে বিহারে

তুমি কোন পথে যে এলে, এলে পথিক

আমি দেখি নাই তোমারে ।।




শাহানা বাযপেয়ি’র গলায় রবি ঠাকুরের ভাষায় প্রার্থনা করছি অবিরত, অনবরত এবং অবচেতন চেতনায়।

কৃতজ্ঞতা জানাই শাহানা’কে।

Mar 12, 2007

রাতের সড়ক


মেঘ মুলুকে ঝাপসা রাতে
স্বপ্ন হাতে, মেজাজ সাতে
সপ্তর্ষীর মিঠে আলোয়
গুল বদনের হাতের চেটোয়
ভালবাসা সঁপে দিও
আলগা শরীর লুটিয়ে দিও।।

Feb 4, 2007

আকাশের নীল


আজ আকাশের রং নীল ছিল
আমার মন ছিল বেগুনী
তিরতির করে কলজে কাঁপছিল
শোঁ শোঁ রে অলিন্দে হাওয়া বইছিল
ভুশ ভুশ করে উঁকি মারছিল শিমূল-বটের মূল
ঝরো ঝরো এই পাঁজরের খাঁচা ঠুকছিল বুলবুল
ধোঁয়া রুপ এই মৃত্যু মিছিল
ফিসফিস করে বায়
ফুসফুস আজি ক্লান্ত মোর অবিরাম ভালোবাসায়

এক দেশে ছিল এক, আকাশ এবং সাগরের নীলরং আসক্ত যুবক শুধুমাত্র আকাশের নীল দেখবার জন্যই যে বেঁচে থাকতে পারে সাগরের কল্লোল শুনবার জন্য যে সব শব্দের মৃত্যু কামনা করতে পারে আমি এখন তার কথা বলছি

আমি আমার কথা বলছি, যার পূর্ব পুরুষ আকাশ এবং মাটির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন আমি ভীষণ আনন্দিত হই , ভীষণ কৃতজ্ঞবোধ করি বেঁচে আছি বলে, ভীষণ অভিভূত হই আমার দুটো চোখ আছে বলে, এই সবই অনুভব করি যখন আকাশের নীল দেখি



* ছবির স্বত্ত কার জানিনা, যারই হোক কৃতজ্ঞতা।

Dec 22, 2006

সুনীল সমুদ্র কে

অনিন্দ্য সুন্দর একখানা, সম্ভাষণ ।।


চাইলে ও পারত হতে

প্রথম প্রেমের প্রথম পত্র

হতে পারত প্রথম বৃ ষ্টির ছাঁচ

হতে পারত আমার প্রেমিকার হাতে বাঁধা রুমঝুমি

হতে পারত সব কিছু ছাপিয়ে

তোমাকে পাওয়ার আনন্দ

হতে পারত গৌর র্বণ রোদে কচি খুকী

হতে পারত দিগন্ত অবধি আমার খেলার মাঠ

হতে পারত বোনের হাতে বিয়ের মেহেদী

শঙ্খ নদীর পাড়ে স্নানরতা কোমল কিশোরী

হতে পারত সেহরীর কালে মায়ের হাতের লোকমা

শীতের আমেজে তপ্ত ভাপা পিঠা


কিছু ছাপিয়ে আজ সুনীল সমুদ্রে অবগাহন


জয়তু কবি আপনাকে


** কবি সুনীল সমুদ্রকে উদ্দেশ্য করে

Dec 17, 2006

বিপন্ন মরালের কবি

আজিকার দিন
অনলস মধ্যাহ্ন রঙ্গীন
বিপন্ন মরালের কবি রে স্মরি,
ঢিলিয়ে কিলিয়ে পাকানো সময়
চিলেকোঠায় খুঁটে খুঁটে খায়
চড়ুইয়ের দল ।।

Dec 16, 2006

আঞ্চলিক গান

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের ঐতিহ্য অনেক পুরোনো।
অনেক গান ইতিমধ্যে হারিয়ে যেতে বসেছে। গানের ক্যাসেট
বাদে মানুষের জীবনে গান গুলো প্রায় হারিয়ে যেতে
বসেছে। আমার মায়ের মত দু একজন এখনো গুন গুন
করে আপন মনে গেয়ে যায়। বিয়ে, উৎসব , পালা-পার্বণে
চাঁটগাইয়া গানের অস্তিত্ত্ব আর নেই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের
শাটল ট্রেনের ককপিটে ছেলে-মেয়েরা সম্ভবত এখনো
গায়।

সন্দীপনের [অরিজিনাল শেফালী ঘোষ] গাওয়া একটা গান
উঠিয়ে দিলাম,


যদি সুন্দর একখান মুখ পাইতাম
যদি নতুন একখান মুখ পাইতাম
মইশখালীর পানের খিলি তারে
বানাই খাবাইতাম ।
এক দিন’র লাই ডাকি তারে
হাউশের পিরীত শিখাইতাম ।
আমি হাউশের পিরীত শিখাইতাম

নয়া মুখের নয়া কথা হুনিতে সুন্দর
মাঝে মাঝে পান চিবাইত
হাসির ও ভিতর ,
প্রেমের মালা দো’নো হাতে
তার গলাত পরাইতাম ।
মইশখালীর পানের খিলি তারে
বানাই খাবাইতাম ।

রসের কথা, রসের পিরীত
যদি ন জানে ,
দুইয়ান একখান কইতাম তারে
প্রেমের কারণে ।
নর-নারীর হাউশের পিরীত
কি মজা তারে বুঝাইতাম ,
আমি কি মজা তারে বুঝাইতাম।
মইশখালীর পানের খিলি তারে
বানাই খাবাইতাম ।

Dec 10, 2006

টুকরো কাব্য

সব কিছু সরব হয়ে উঠে , নীরবতার ঘোমটা এখন ছুড়ে দাও, পেরিয়ে যাক বন্ধ্যা নগরীর দেয়ালকৃপাণ হাতে সজাগ, ঢুলু ঢুলু ঈশ্বর হাসেন অদৃষ্টের র্নিমম পরিহাস দেখেমেঘের সীমানায় গাঢ় নীল পাড়ের আকাশী শাড়িতে সদা হাস্য ঈশ্বরীর চাল চুলোহীন বৃষ্টিতে নির্কাক সর্মপণ

ই জুলাই, ২০০৬

পরমাণু কাব্য

সেই স্বপ্নের নেই ঠিকানা

দূর অজানার পথ পাড়ি

[মহীনের ঘোড়াগুলি]


ক.

এই স্বপ্নের নেই র্শ ত

নেই সর্ম্পকের পীড়াপিড়ি


খ.

সব কবিতার নেই মানে

আছে কল্পনার ছড়াছড়ি


গ.

যৌবন মানে যুদ্ধ

খালি জলপাই রংয়ে শান্তি


ঘ.

আজো বৃষ্টি হলে তোমার স্মৃতি ধুয়ে মুছে তুলে রাখি,

ঢেউ ভাঙ্গা উত্তাল জাহাজের কেবিনে


ঙ.

মৃ দু বিপ্লবীদের কবিতা আসে না,

আসে টুকরো কবিতা

ছিন্ন ছন্দ আর প্রেমিকার গালমন্দ


চ.

সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি

সারাদিন আমি যেন, আমি হয়ে চলি


ছ.

এখন যৌবন যার

প্রেমিকার নাম বালুকা বেলায়

লিখবার তার শ্রেষ্ঠ সময়

[স্বরহীন]

======================================

১৯শে জুন, ২০০৬

দুপুর ২:৩৪

কলাম্বিয়া

সবাই নিজ নিজ মাপের আকাশ দেখে

'সবাই নিজ নিজ মাপের আকাশ দেখে' আমার আকাশটা এক টুকরো নীল বাদে আর কিছু নয় প্রতিদিন আমি ঢিল ছুড়ি সকাল বিকেল সন্ধ্যা রুটিন করে ঢিল মারি কখন কাঁচের মত ঝনঝন করে ভেঙ্গে পড়বে আকাশ , গলগল করে পড়বে তরল গরলআর আমার ময়লা হয়ে যাওয়া সাদা রংয়ের মনটাকে, ধুয়ে দেবে পরম মমতায়

প্রতিদিন ঢিল মারি,

বাস্তববাদী ঢিল

পরা বাস্তববাদী ঢিল

সমাজবাদী ঢিল

জীবনমুখী ঢিল

বেশী সদয় হলে ঝরঝর করে পানি ঝরে, ভিজিয়ে দেয় আমার মনটাকে

আদ্র করে দেয় মনটাকে

বানিয়ে দেয় হাজা মজা পুকুর

আর পুকুরে র প্রাচীন রুই এর

শেওলার আস্তরে আমি আমার র্পূব পুরুষের

বয়েস গুনি

=======================================

১১'ই জুন ,২০০৬

রাত ১:১৫

কলাম্বিয়া

কথা মালা

১ .

এখনও স্বপ্ন দেখি

কবিতা বুনি

আর ক্লান্ত হই স্বপ্নের পিছনে ছুটে ছুটে


২.

তোমার নীল ওড়নার ঝুল ধরে

ঝুল বারান্দা পেরিয়ে

টুক করে উঁকি দিয়ে যায় বাতিল স্বপ্ন


৩.

কোন কুক্ষণে এই মোমবাতি গুলো জ্বলে

আবছা আলোয়

শঙ্খ নদীর মত খরস্রোতা অবয়ব

আমার সব প্রতিরোধ চুরমার করে সারা


৪.

বৃষ্টি ও পড়েনা

রিকশার হুড ওঠেনা

আর তোমার চুলের মদিরা ঘ্রাণ

গড়াগড়ি খায় আমি বিহনে


৫.

কপালের টিপ কেন যেন

কখনোই ঠিক মাঝখানে বসে না

আর ঝাড়ি খাওয়াটা

আমার নিয়তি


একসময় হাতের কাছে একটা প্যাডে , ইচ্ছে মত দুলাইন লিখতাম কখনো ভাবিনি ব্লগ নামের বৃন্দাবন পাব যা ইচ্ছে তা লিখব জানলে সব ছাইপাশ জমিয়ে রাখতাম

=======================================

২৮ শে মে , ২০০৬

সকাল ৯:৫০

কলাম্বিয়া