Showing posts with label কবিতার যন্ত্রণা. Show all posts
Showing posts with label কবিতার যন্ত্রণা. Show all posts

Nov 12, 2007

খসড়া

আলাপের মেদুলতায় এবং শীথিলতায়, কিম্বা রিকশার দুলুনিতে
কিম্বা বাতাসে শীস কেটে বেরিয়ে যাওয়া চাহনিতে, চেপে বসা একটা কিছুকে বের করে দেবার তীব্র বাসনা এবং নিজেকে ছুঁড়ে দেওয়া প্রশ্নের বিরামহীন ঘর্ষনে ধূলেল হয়ে পড়ে মন। একটা নদী, একটা নৌকো, ঘাট, দূরে ইস্কুল, পাহাড়ের খাঁজ ধরে পাহাড়ীদের চলা, শুধু পায়ের বুড়ো আংগুল আর পায়ের পাতার সামনেরটুকু দিয়ে তরতর করে কিভাবে পাহাড় বাইতে হয়, কাঁধে বোঝা-বুকে ঝোলানো বাচ্চা নিয়ে, কিভাবে অযুত-নিযুত পাহাড় পাড়ি দিতে হয়, সেটা ওরাই জানে। আমি শুধু স্বপ্নই দেখতে পারি গলা ছেড়ে গান গাইবার, স্বপ্ন এবং জঞ্জালের বাইরে ফুটপাথে দাঁড়ানো শব্দ নিয়ে খেলা করবার।

১২ই নভেম্বর, ২০০৭
কলাম্বিয়া

Oct 9, 2007

সম্ভাবনার মৃত্যু


পূর্বরাগ এবং উত্তর রাগের
মধ্যবর্তী
সম্ভাবনার মৃত্যুই,
ছন্দের অভাবে
কবিতা হিসবে গণ্য হয়।।



Jul 9, 2007

রিক্সা



রিক্সা নিষিদ্ধ করবার অহর্ণিশ প্রয়াস চলছে,
আমাদের ঢাকা শহরে।
আমাদের প্রিয় ঢাকা শহরে।
বিজ্ঞাপন জর্জরিত পত্রিকাগুলোর খাঁজে খাঁজে গোপন তলোয়ার
হাওলাদারের ভবিষ্যৎনামার ফাঁক দিয়ে উঁকি দেয়
রিক্সা বিতাড়ন করতে হবে।

শহরের মধ্যবিত্ত রাস্তাগুলোতে
ঠাঠা রোদে
তোমার চিবুকের লবণে,
আমড়া খাওয়ার দিন শেষ হয়ে এলো বলে।


* ২১শে মে, ২০০৭

Mar 26, 2007

আমার মনের হাউশ


আমার নাটাই কাটা ঘুড়ির পানে

চেয়ে থাকতে থাকতে জলে ভরে যায় ঈশ্বরের চোখ,

কত সুস্বাদু শৈশব ফেলে আজো নিয়ে বসে আছি

পুরোনো জঞ্জাল ।


দেবদূতেরা খাতা কলম ফেলে

সাবান পানির বুদবুদে ছিলিম ছিলিম নেশা করে

আর আমি বসে ঠায়, তোমার কিনারায়

প্রভূ জল কে চল।


তেড়িয়া কিসিমের বালকের চক্ষু

এড়িয়ে ঘোরাঘুরি করতে থাকা ঘাগু রুই

এর ঘিলুতে, সঁপে দিয়ে সভ্যতা

এসো জলকেলী তে মত্ত হই।


অপুর ছুঁড়ে দেওয়া পুঁতির মালাটা

অত্যার্শ্চায জীবনমুখীতায় ঝুলে রইল মাঝ পুকুরে

পানাদের দল সশব্দে বলি উঠে,

ও দূগ্গা বেলা যে হয়ে গেল চারটে খাবি নে।


আমি নোনা জলের মাঝে

কি এক অপরুপ মাছের খোঁজে,

চিৎকারে চিৎকারে খুঁজি নীরব

বন্দর।


১৯ শে জুলাই,২০০৬
ওয়েস্ট কলাম্বিয়া



Mar 6, 2007

বলা হয়নি এখনো



অনেক কিছুই বলবার ছিল, তবে এখন মনে একটাই কথা ভেসে বেড়াচ্ছে, সেটা হলো '' বেনসননের শূন্য প্যাকেট, আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে'' বলছে '' পারলি না আর একটু রয়েসয়ে টানতে'' অনেককাল পর পেয়েছিলাম দেশি বেনসন।

পক্ষকাল আগে একবার টেনেছিলাম একটা গোল্ডলীফ। কোন এক জগৎশেঠ দেশ হতে এনেছিল এক প্যাকেট, সুযোগ পেয়েছিলাম একটা টানবার। অবশ্য আমি জগৎশেঠের চেয়ে কম যাই নে, আমি একাই টেনেছি বেনসন।

কখনোই সচেতন অনুরক্ততায় বলিনি ভালবাসি
তীব্র এক প্রশ্ন নিয়ে
করে গেছি অবিরত চুম্বন
বুক পকেট কিম্বা উরুসন্ধির তীব্র উষ্ণতা আর কজনা পায় বলো;
কিন্তু দেখো আজো বলিনি ভালোবাসি
রন্ধ্রে রন্ধ্রে তোমার গমন
হেথা সেথা যেথা কভূ ঈশ্বর করেননি পদার্পণ
তবুও আজো তোমায় বলিনি ভালোবাসি
প্রতিটি অনাগত বসন্ত কিংবা অনাঘ্রাতা নারীর কসম
প্রতিটি ঋতুতে অসামান্য আবেদন ছিলো তোমার
অথচ আজো বলা হলো না ভালবাসি
।।



২'রা মার্চ, ২০০৭

Dec 11, 2006

স্বপ্ন

আমি ভেবেছিলাম সাত তাড়াতাড়ি ঘুমোলেই বুঝি

স্বপ্ন দেখা যায়,

তাড়াতাড়ি ঘুমিয়েছিলাম অনেক স্বপ্ন নিয়ে

বড় স্ক্রিনে রাতভর রঙিন স্বপ্ন দেখব

ঝকঝকে ছবি আর চোখ জুড়ানো রঙ

কিন্তু এই মন যে সাদা কালোয় বিভোর

তা'তো জানিনে

মে, ২০০৬

Dec 10, 2006

ক্র্যাফট মার্টল







ফোঁটায় ফোঁটায় আকাশ ঝরে পড়ছে

থোকা থোকা ক্র্যাফট র্মাটলে


প্রতিনিয়ত নিজেকে সামনের দিকে ঠেলে দেওয়ার এক ছন্দোবদ্ধ স্প্রিং এ বাঁধা জীবনঅন্ধ না হয়েও, হাতড়াতে হয়আলো হাতড়ে চলা এই জীবনসব র্বণচ্ছটা প্রতিসরিত করে, শুধু একটা র্নিদিষ্ট ওয়েভলেংথের খোঁজে বেরিয়ে পড়া এই সীমাহীন সমুদ্রে যে আলো হবে প্রতিফলিত, করবে উদ্ভাসিত তোমার অন্তর লোক এবং বর্হিলোক


উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বল তর নক্ষত্ররা ও ম্লান হয়

কৃষ্ণ গহবরের সন্ধান পেলে,

তীব্র আক্রোশে ছুঁড়ে ফেলা, অবধারিত স্বপ্নের মত

বারবার নিজের র্কানিশ ছুঁয়ে যাই,

মত্ত হই নতুন প্রতিজ্ঞায়


সব কিছুর শেষ দেখবার এক সুতীব্র চিৎকার

উথাল পাথাল করে দেয়, ককপিট

পাখিদের সুরে দিন যাপন আর হয় না,

ডানায় ভর করে আর, দেখা হয়না পাখির চোখে জীবন

দেখা হয় না, বুড়ো সান্তিয়াগোর কফি কাপের কিনারা উপচে দূর সাগরে ভেসে যাওয়া সব মাছেদের

আঁশটে গন্ধেরা সব পড়ে থাকে আমার বালিশে


১৫ই জুলাই, ২০০৬

গাংচিলের পালকের ওম

মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর

নমঃ নমঃ নমঃ নমঃ


জাগ্রত অবস্থায় এসেছিলো

হুট হাট করে গাংচিল এর পাখনায়,

মোহময়ী নদীর মত দুকূল আছড়ে

তখন ও জপে যাই ,

তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়

একি মোর অপরাধ


বললে এটা ব্যামো,

চোখের ব্যামো

মনের ব্যামো,

সকাল বিকেল হরিৎ পাতা চিবোও, কালা জিরা দিয়া

ব্রেইন ও খুলবে, চোখ ও আর টাটাবে না


হাত ধরে ডাক দিলে

চলো না ঘুরে আসি কফি হাউসে

আমি আবার একমনে ভাবি বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ ,

যারে পাবি তারে ছোঁ


কিন্তু আমি কেন,

আমি কি তবে বুড়ো নাবিক

পথ দেখাতে এসেছে গাংচিল,

স্বচ্ছ স্রোত চিরে ছুটে যাবে সলজ্জ ঢেউ ভেঙ্গে

আমার স্বপ্ন তরী


প্রথম টিউশানির বেতন পেয়েছে

প্রথম আয়, প্রথ ম ব্যয়

মাঝখানে আমি হয়ে গেলাম নিদারুণ ভাবাপন্ন অব্যয়ি ভাব সমাস,

যে সমাস বিস্তৃত হয়না, সংকুচিতও হয় না

ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে

অবিচল

স্থানু


গাংচিলের পালকের ওমে,

লুকিয়ে থাকা স্বপ্ন নিয়ে চলো যাই

স্বপ্নচূড়ায়


বুড়ো নাবিক নিয়েছিল হট-চিলি স্যুপ

নাকের মুখের পানিতে ভেসে গেল

আদিগন্ত বিস্তৃত জাহাজের ডেক


আর গাংচিল, বুড়ো নাবিকের

স্বপ্নভূমির সন্ধানে রিকশার হুড ফেলে রওয়ানা দিল


১৪ই জুলাই, ২০০৬

চোখ মুদে পার করে দিই যযাতির যৌবন

Postcards And letters And pictures made to last forever


আসলেই কি অনন্তজীবন আছে ছবির, চিঠিরসবকিছুই ধূসর বর্ণহীন হয় একসময়পাতলা সেলোফোনের জড়িয়ে ধরা এ্যালবাম কতদিন রাখতে পারে ছবিকে , লিখা অক্ষরগুলোকে


The'll disappear without a trace But what they mean to me Can never be replaced


অপু আমার জীবন থেকে চলে গেছে সেই কবে,

কিন্তুআমি এখনও অপুর কান দিয়ে ট্রেনের শব্দ শুনি

কুবেরের চোখ দিয়ে ময়নার চরের অনিশ্চয়তা মাপি

চাইলে ও পারবে না তুমি ঠেকাতে র্সূযাস্ত

হয়তো পারো র্সূযোদয় কে উপেক্ষা করতে

চোখ মুদে ভাবতে পারে পৃথিবী গেছে থেমে

উঠবে না আর নতুন র্সূয,

নারিকেলের পাতায় খেলবে না আলো-ছায়ার খেলা

র্দূবা ঘাসের কানচাবি পরে এক্কা-দোক্কা খেলবে না, তোমার ছোটোবেলা

চড়ুইভাতির গন্ধে পাগল হবে না পাঠশালা

আমপারা পড়ার ছলে কাটিকুটি খেলা

ভাবতে পারো বইয়ের পাতা র্ভতি সিসিম ফাঁক

নামতা লিখার ছলে তুমি আঁকছো নদীর বাঁক

চাঁদের কাছে হয়তো তোমার চাওয়ার কিছু নেই

কাঠবেড়ালির লেজে তোমার স্বপ্ন বাঁধা নেই

ঘুড়ির সাথে ওড়ে না আর নাটাই বাঁধা মন

গোত্তা খেয়ে তেড়ে ফুঁড়ে ওঠে না যৌবন

চোখ মুদে তাই থাকতে পারো সারাটা দিন ক্ষণ

এমনিতরো কাটছে কত হাজারো জীবন


* ধূসর , হাসান তোদের ধন্যবাদ গানটার জন্য

=======================================

'ই জুলাই,২০০৬

রাত ১০:৩৭

কলাম্বিয়া

প্রেম এবং প্রার্থনার যুগলবন্দী

প্রেম এবং র্প্রাথনার মধ্যে কি কোন র্পাথক্য আছে ? হৃদয় থেকে তোলা, বাছাই করা শব্দ দিয়ে র্প্রাথনা এবং প্রেম দুটোই তৈরি হয় প্রেমে বিলীন হওয়া মানেই ঈশ্বরে বিলীন হওয়াকত ব্যবধান, কিন্তু কত নিঃস্তরঙ্গ সহবাস শব্দ দুটোর, প্রেম এবং ঈশ্বর


কেন আমায় চির বসন্ত দাও না, পিতা

আমার শুষ্ক পত্র পল্লব ভরিয়ে দাও,

সদ্য জন্মানো, তরতাজা শব্দে

নতুন পুরোনো, সদা কৌতুহলি

সদা চঞ্চল, সদা মুখরা সব শব্দে


পিতা একবার জবাব দাও

একটিবার নেমে এস এই হৃদয়ভূমিতে

চৌচির করে দাও এই হৃদয়,

বইতে থাকুক শব্দের নহর

আবার প্রান দাও বৃক্ষে


পিতা একটিবার পথ দেখাও

কলরবে মুখরিত হোক এ বৃক্ষ,

পত্র পল্লবে হিল্লোল উঠুক

আর একটিবার বলি

হে আমার অনুচ্চারিত সৌর্ন্দয,

আমার চির বৈষ্ণব স্বপ্ন নীল আঁখি,

আমার ভূবন ভোলানো মধুর সম্ভাষণ,

তোমা হতে শত শব্দর্বষ দূরে

তবুও আমি তোমাতেই নিমজ্জিত হতে চাই


পিতা আবার এস

তুলে নাও অসীমে

দিগন্তজোড়া ধানক্ষেতে,

আমায় বিলীন করে দাও

তোমার র্সবব্যপী নীলের একটুখানি

আমায় দাও , আমি নিমজ্জিত হই তোমাতে


০৯.১১.২০০২

ঢাকা

=======================================

২৪ শে' জুন, ২০০৬

রাত ১২:৪৪

কলাম্বিয়া

তুমি অশ্লীল হবে না

তোমার আলতো করে দেওয়া হাসিটা

শুধু আমাকেই দেবে

আর কাউকে না


তোমার চোখের তেরছা চাহনিটা

শুধু আমাকেই দেবে

আর কাউকে না


কৎবেলের আচার খেয়ে কার্মাত ভঙ্গিতে জিহবায় টংকার তুলবে না

কারো সামনে,

এ তীর শুধু আমার বুকে বিঁধবার জন্য


তোমার বিনুনী সাপের মত দোলাবে না

কারো সামনে

এই পিচ্ছিল সাপের ফনা

শুধু আমার জন্য


তোমার প্রতিটি শব্দ আমার কবিতাকে স্বপ্নদেখায়

তুমি কাউকে স্বপ্ন দেখাবে না

এ স্বপ্ন শুধুই আমার


তোমার উচ্চারণ

তোমার কথা

তোমার হাঁটা

তোমার ঘুম

তোমার স্বপ্ন

তোমার ছন্দ

আমাকে কার্মাত করে

আমাকে অশ্লীল করে ;


তুমি

কথা বলবে না

কাজ করবে না

স্বপ্ন দেখবে না

বিনুনী বাঁধবে না

হাসবে না তুমি ;


তুমি রবে খাজুরাহোর প্রস্তর র্মূতির মত

নিরেট নিথর কাব্য হয়ে

অশ্লীলতার সংজ্ঞা হয়ে

আমার গোপন উল্লাস হয়ে


তবুও তুমি রবে

আমার অশ্লীল জীবনকে

শ্লীলতার চাদরে উপস্থাপন করতে


** অনেক শব্দ পরির্বতন করতে হবেতরতাজা ছেড়ে দিলাম

=======================================

১০ই জুন ,২০০৬

সকাল ১২:১৬

কলাম্বিয়া

সদ্য স্নাত প্রসারপেইনা

ছিয়ানব্বই এর এক র্নিমোহ সন্ধ্যায়

হাতে এক পাহাড় বই নিয়ে

বিদায় দিতে হাজির হয়েছি

বইয়ের আড়ালে আমি ,

ওর মা বলল '' বোসো , ওকে ডাকছি ''


আমি বসে বসে ভাবছি

একটা তেঁতুল পাতায় নয়জন

একটা গাছে কয়টা পাতা হলে

এই জনগণের ভার , গাছের কাঁধে দেওয়া যায়


ঝুপ করে নামল

লোডশেডিং , মোম হাতে ঘরে ঢুকল সে


সদ্য স্নাত নারী ,

একটা পানির ফোঁটা গড়িয়ে পড়ছে কনুই ধরে

খাড়া ঢাল বেয়ে ,

কি ভয়ংকর এই বুঝি পড়ল


কি অসাধারণ ভিসকোসিটি ছিল ফোঁটাটার

পড়ি পড়ি করেও , ঝুলে আছে ,

পড়ছি পড়ছি করে এখনও পড়েনি


নিমজ্জিত আমি সাঁতরানোর চেষ্টা ও করিনি ,

গা ছেড়ে দিয়েছি অতল গহীনের উদ্দেশ্যে

মোমের শিখাটাকে মুহু মুহু হুমকি দিচ্ছে ,

নিকষ কালো অন্ধকার

জড়িয়ে ধরে মারতে চায় ,

আমি আকণ্ঠ পান করে চলেছি অন্ধকার


'' এত বই নিয়ে কই যাস ? "

কি উত্তর দিয়েছিলাম আজ আর মনে নেই,


শুধু মনে আছে

হরচন্দ্র মুন্সেফ লেন থেকে

পাঁড় মাতালের মত ঢুলতে ঢুলতে

বের হয়ে বলেছি , '' যাবেন , ময়লার ডিপো ''

মিকেল এনজেলোর বাতিল সনেটের রেজিস্টারে

নিজের নাম সর্দপে , র্সোপদ করলাম


৩০ শে মে, ২০০৬

কথার মাঝে কথা খুঁজি

সেই কথাটা কেমনে বলি

যেই না কথায় টোল পড়েছে

অমনি কথার ঘোমটা খুলি,

সেই কথাটা কেমনে বলি

দুপুর বেলা একলা একা

উঁকি দেয় মোর কথার ঝাঁপি ,

সেই কথাটা কেমনে বলি

সাঝেঁর বেলা ধোঁয়ার মাঝে

ছড়িয়ে পড়া কথা খুঁজি,

সেই কথাটা কেমনে বলি

নিশীথ রাতে চাদেঁর টানে

কথার মাঝে কথা খুঁজি ,

সেই কথাটা কেমনে বলি

সকাল বেলা জায়নামাজে

কথা আমার চুঁইয়ে পড়ে ,

সেই কথাটা কোথায় খুঁ জি ।।

-----------------------------------

অর্ণবের একটা গান থেকে অনুপ্রানিত

১৬ই মে, ২০০৬

রাত ২:৫৪

কলাম্বিয়া