অবাক জলপান
জল করেছে পান
ঠোঁটের কোণে চোখা হাসি
ফাও করেছে দান।
ফাও করেছে বেশ করেছে
তোমার তাতে কি
এই যে খোকা বিষম খেলো
বুঝতে পারো কী!
দেখে শুনে বল্লে খুকী
জল করবে পান ?
এরম ভাবেই শিখলো সবাই
অবাক জলপান।
দুষ্টূ মিষ্টি কবিতা লিখি
জল করেছে পান
ঠোঁটের কোণে চোখা হাসি
ফাও করেছে দান।
ফাও করেছে বেশ করেছে
তোমার তাতে কি
এই যে খোকা বিষম খেলো
বুঝতে পারো কী!
দেখে শুনে বল্লে খুকী
জল করবে পান ?
এরম ভাবেই শিখলো সবাই
অবাক জলপান।
লিখেছেন
দাশু
সময়
2:47 PM
5
মন্তব্য
Labels: অ্যাবসার্ড
আলাপের মেদুলতায় এবং শীথিলতায়, কিম্বা রিকশার দুলুনিতে
কিম্বা বাতাসে শীস কেটে বেরিয়ে যাওয়া চাহনিতে, চেপে বসা একটা কিছুকে বের করে দেবার তীব্র বাসনা এবং নিজেকে ছুঁড়ে দেওয়া প্রশ্নের বিরামহীন ঘর্ষনে ধূলেল হয়ে পড়ে মন। একটা নদী, একটা নৌকো, ঘাট, দূরে ইস্কুল, পাহাড়ের খাঁজ ধরে পাহাড়ীদের চলা, শুধু পায়ের বুড়ো আংগুল আর পায়ের পাতার সামনেরটুকু দিয়ে তরতর করে কিভাবে পাহাড় বাইতে হয়, কাঁধে বোঝা-বুকে ঝোলানো বাচ্চা নিয়ে, কিভাবে অযুত-নিযুত পাহাড় পাড়ি দিতে হয়, সেটা ওরাই জানে। আমি শুধু স্বপ্নই দেখতে পারি গলা ছেড়ে গান গাইবার, স্বপ্ন এবং জঞ্জালের বাইরে ফুটপাথে দাঁড়ানো শব্দ নিয়ে খেলা করবার।
১২ই নভেম্বর, ২০০৭
কলাম্বিয়া
লিখেছেন
দাশু
সময়
7:12 PM
2
মন্তব্য
Labels: কবিতার যন্ত্রণা
মৃত ঘোড়ার পিঠ চাবকে লাভ নেই,
সওয়ারী বিহীন ঘোড়া এখন
দুলকি চালে সম্ভাব্য পরিণতি পেয়েছে।
সহজাত প্রবণতা, সহজাত প্রগলভা
চাবুকের নিষ্ঠুর আতিশয্যে
নির্বাণ লাভ করেছে।
এসো আমরা প্রার্থনা করি
যেন দুম করে আস্তাবল ছেড়ে বের হয়ে না যায়
আমাদের ঘোড়া;
কারণ এই ঘোড়াই আমাদের শরীর ও মনোজগতের শ্লোগান বহন করে
এই ঘোড়ার পিঠে চড়ে আমরা কাব্য করি গদ্য করি
এবং সপ্ত আসমান পাড়ি দেই।
এসো লাগাম টেনে ধরি আমাদের ঘোড়ার
কিছু ঘোড়ার লাগাম ছেড়ে দিলে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ নির্গত করে
সেটাকে দুষ্টেরা বলে ঘোড়া দাবানো।
এসো আমাদের ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হই
এবং তীব্র বেগে ছুটে চলি
আরাধ্য মন্দিরে।।
লিখেছেন
দাশু
সময়
10:51 PM
3
মন্তব্য
Labels: অ্যাবসার্ড
কবিতা লিখবার জন্য সময়ের অভাব কি হয় ?
নিরবিচ্ছিন্ন নিস্তব্দতার অভাব হয়,
টংকারহীন শব্দ, এবং প্রেমময় শব্দের মিলনোন্মাদনার অভাব হয়।
এটা ঠিক বোঝানোর কায়দা জানা নেই,
কিংবা জানাও নেই
কেন শব্দেরা পা টিপে টিপে ভোররাতে চলে যায়
এতটাই কি অপাংক্তেয় হয়ে গেছি
নির্জনতা বিহনে ।
পূর্বরাগ এবং উত্তর রাগের
মধ্যবর্তী
সম্ভাবনার মৃত্যুই,
ছন্দের অভাবে
কবিতা হিসবে গণ্য হয়।।
লিখেছেন
দাশু
সময়
11:17 PM
2
মন্তব্য
Labels: কবিতার যন্ত্রণা
কষ্ট হয়, নষ্ট হয়
কষ্টেরা সব নষ্ট হয়
কিছুই থাকেনা প্রভূ
তোমারি বন্দনা করি না কভূ
আপন নিয়তি সরবে ঠুকি তোমার জ্ঞানবৃক্ষে
কিছুই টেকে না প্রভূ
তুমি আমি সকল বন্দনাকারী
সকলি বিলীন হয়
তুমি ও বিলীন হও প্রভূ
বন্দনাকারী বিহনে।
একজন নতমস্তক বন্দনাকারী এবং একজন ইকারুসের মধ্যে নতমস্তক বন্দনাকারী নন্দিত হয় এবং একজন ইকারুস জলপাই রাঙা সূর্যের লালিমায় আপন ভূমে প্রাণ বিসর্জন দেয়।
এবং আমরা ঘেন্না করবার প্রথম স্তবক পাই।
লিখেছেন
দাশু
সময়
9:05 PM
1 মন্তব্য
Labels: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
রিক্সা নিষিদ্ধ করবার অহর্ণিশ প্রয়াস চলছে,
আমাদের ঢাকা শহরে।
আমাদের প্রিয় ঢাকা শহরে।
বিজ্ঞাপন জর্জরিত পত্রিকাগুলোর খাঁজে খাঁজে গোপন তলোয়ার
হাওলাদারের ভবিষ্যৎনামার ফাঁক দিয়ে উঁকি দেয়
রিক্সা বিতাড়ন করতে হবে।
শহরের মধ্যবিত্ত রাস্তাগুলোতে
ঠাঠা রোদে
তোমার চিবুকের লবণে,
আমড়া খাওয়ার দিন শেষ হয়ে এলো বলে।
* ২১শে মে, ২০০৭
লিখেছেন
দাশু
সময়
10:08 AM
1 মন্তব্য
Labels: কবিতার যন্ত্রণা